শুল্ক পরিশোধের পরও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে মাল্টা বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজানসহ কোনো বিশেষ উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, সারা বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কোন অঞ্চলে কোন সময়ে কোন ধরনের ফসল উৎপাদন হবে, তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ প্রয়োজনীয় সব পণ্যের যথেষ্ট মজুত রয়েছে। কোনো ধরনের সরবরাহ ঘাটতি নেই। পাশাপাশি আমদানি করা আরও কিছু পণ্য পাইপলাইনে রয়েছে। ফলে রমজান কিংবা অন্য সময়ে কোনো ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা জোটবদ্ধভাবে যদি দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, তাহলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, চেম্বারের সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ, চেম্বার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম, বিপিএএমইএর প্রথম সহসভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, কমিশনার অব কাস্টমস মুহা. মাহবুবুর রহমান, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম এ ছালাম, সাবেক পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব, রেজাউল করিম প্রমুখ।
