লোডশেডিংয়ে মোবাইলের আলোয় চলে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৮

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বিদ্যুৎ চলে গেলে কখনও কখনও চিকিৎসক ও নার্সদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রতিবার এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৬০০ থেকে ৭০০ এবং জরুরি বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি থাকেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী।

অতিরিক্ত রোগীর চাপের পাশাপাশি চিকিৎসক ও জনবল সংকট রয়েছে হাসপাতালটিতে। এরমধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও জেনারেটর না থাকায় চিকিৎসাসেবা পরিচালনায় বাড়তি সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা দিতে চিকিৎসক ও নার্সদের বিপাকে পড়তে হয়। গরমের সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগও বেড়ে যায়।

এদিকে, হাসপাতাল ঘিরে দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগও রয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো ও ওষুধ সংগ্রহ করতে গিয়ে রোগীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল বলেন, জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকলে ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হয়। হাসপাতালে একটি জেনারেটর স্থাপন করা হলে এ সমস্যা অনেকটাই কাটানো সম্ভব হবে।

ইত্তেফাক/এপি