নিজেকে ‘সর্বকালের সেরা’ দাবি রোনালদোর, পুরোনো কথায় সরগরম ফুটবলবিশ্ব

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৯

ফুটবল মাঠে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আত্মবিশ্বাস নতুন কিছু নয়। তবে এবার তার পুরোনো একটি সাক্ষাৎকার ঘিরেই নতুন করে উত্তাল ফুটবলবিশ্ব। সেখানে নিজেকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় দাবি করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। নিজের গোলসংখ্যা ও পারফরম্যান্সের যথাযথ স্বীকৃতি না পাওয়ার আক্ষেপও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু বিতর্কের কেন্দ্রে শুধু তার আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য নয়। সাক্ষাৎকারটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

গতকাল রোনালদোর সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করে দ্য অ্যাথলেটিক। এর আগে পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম সিএনএন পর্তুগালও সাক্ষাৎকারটির কিছু অংশ প্রকাশ করেছিল। তবে পরে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। কারণ, নতুন করে আলোচনায় আসা সাক্ষাৎকারটি আসলে ২০২৫ সালের। অর্থাৎ, সাম্প্রতিক ঘটনা ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার মধ্যে সামনে আসা বক্তব্যগুলো নতুন নয়। পুরোনো কথাগুলো নতুন করে আলোচনায় আসায় রোনালদোকে নিয়ে বিতর্কও আবার চাঙ্গা হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে রোনালদোকে বলতে শোনা যায়, 'আমি সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়। ব্যস, এ নিয়ে আর কোনো কথা নেই।' নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, 'মানুষ আমার পারফরম্যান্সের মান কিংবা আমার করা গোলগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন করে না।' তার মতে, মাঠে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যে পারফরম্যান্স তিনি উপহার দিচ্ছেন, তার প্রাপ্য স্বীকৃতি এখনো পুরোপুরি পাচ্ছেন না। 

এমন আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সঙ্গে মানানসই। তবে ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় কে, সেই বিতর্কে তার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পেলে, দিয়েগো মারাদোনা ও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে তুলনার প্রসঙ্গ সামনে আসায় বিতর্কটি আরও তীব্র হয়েছে। 

সাক্ষাৎকারটি মূলত নিয়েছিলেন রোনালদোর বন্ধু এদু আগিরে। স্পেনের টেলিভিশন চ্যানেল লা সেক্সতায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রচারিত হয়েছিল সেই কথোপকথন। পরে একই সাক্ষাৎকারের অংশ সিএনএন পর্তুগালে প্রকাশিত হয়। কিন্তু পুরোনো সাক্ষাৎকারটি নতুন করে প্রকাশের পর সেটি সরিয়ে নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে উপস্থাপনা ও সময় নির্বাচন নিয়ে। দ্য অ্যাথলেটিক বিষয়টি সামনে আনার পর সাক্ষাৎকারের বক্তব্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাক্ষাৎকার সরিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ইত্তেফাক/জেডএইচ