ওষুধ কারখানার আগুন শর্ট সার্কিট থেকে, ধারণা ফায়ার সার্ভিসের

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল নামের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট। তবে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর পুরোপুরি নিভে যায় আগুন। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে ডাম্পিংয়ের কাজ। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল নামের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট। তবে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর পুরোপুরি নিভে যায় আগুন। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে ডাম্পিংয়ের কাজ। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের তিনজন আহত হলেও কারখানার কেউ হতাহত হয়নি। আগুনে পুড়ে গেছে কেমিক্যাল, উৎপাদন যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন মালামাল।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সোয়া ১০টার দিকে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানায় ইউনিট-২ তে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, এসআরবির প্রচেষ্টায় চার ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর ফায়ার সার্ভিসের বেশ কিছু ইউনিট কারখানায় ডাম্পিংয়ের কাজ করে যা চলে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। এরপর ফায়ার সার্ভিসের সবগুলো ইউনিট ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এদিকে আগুন লাগার পর কারখানা ভবনের চতুর্থ তলা ও দ্বিতীয় তলাসহ দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে গেছে কেমিক্যাল, উৎপাদন যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন মালামাল। এরপর রাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় নিরাপত্তা কর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেও শ্রমিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে কারখানা ফটকে জড়ো হওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের কোনো তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহীন আলম বলেন, ‘ডাম্পিং শেষ করে রাত সাড়ে ১০টার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল  ত্যাগ করেন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে বলা যাবে।’

ইত্তেফাক/এসএইচ