ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের পেসার তাসকিন আহমেদ। শুরুতেই ৩ উইকেট শিকার করলেও দল হারলে ব্যক্তিগত এমন অর্জনের কোনো কার্যকারিতা বা মূল্য থাকে না বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় কোচিং স্টাফদের দায় দেওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশি কোচদের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেছেন এই ডানহাতি পেসার।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন বলেন, ম্যাচ হারলে একজন খেলোয়াড়ের কাছে সেটাই দলের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সত্যি বলতে, ম্যাচ না জিতলে তিন কিংবা পাঁচ উইকেট পেয়েও কোনো লাভ নেই। আমাদের বোলিংয়ের সূচনাটা খুব ভালো হয়েছিল। তবে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে মাঝের ওভারে আরভিন ও টেলরের ১৫০ রানের বড় জুটিটাই মূলত জিম্বাবুয়েকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে ম্যাচ থেকে আমাদের ছিটকে দেয়।
দলীয় ব্যর্থতায় বিদেশি কোচের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে চলমান বিতর্কের জবাবে তাসকিন স্পষ্ট জানান, কোচ বদলই সব সমস্যার সমাধান নয়। তিনি বলেন, কোচ দেশি হোক বা বিদেশি, ক্রিকেটের মৌলিক ধারণাগুলো সবার ক্ষেত্রে একই। বিদেশি কোচ এলেই যে দুনিয়ার সবকিছু সব উল্টে যাবে এমন কিছু না। আমাদের দলে যারা কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তারা নিজেরাও সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেছেন এবং দারুণভাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। দেশি কোচরাও যথেষ্ট সক্ষম। কিন্তু আমরা যেহেতু ফলাফলনির্ভর দল, তাই হারলেই দেশি কোচদের কাঠগড়ায় তোলা হয়, আর জিতলে প্রশংসা কম মেলে।
উইকেটের আচরণ ও ম্যাচ হাতছাড়া হওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, উইকেটটি ব্যাটিংয়ের জন্য খুবই উপযোগী ছিল, বড় জুটি গড়ে ম্যাচ বের করা সম্ভব ছিল যা জিম্বাবুয়ে করে দেখিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত জ্বরের কারণে আমাদের ওয়ানডে দলের অন্যতম স্তম্ভ মেহেদী হাসান মিরাজ খেলতে পারেনি। তবে যারা খেলেছে তারাও সক্ষম ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি।
