বিমান ধ্বংসের মামলায় রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মিয়ামি আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২৫

কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির একটি আদালত। ১৯৯৬ সালে দুটি বেসামরিক বিমান গুলি করে নামিয়ে চারজনকে হত্যার অভিযোগে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ৯৫ বছর বয়সি রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কিউবার গুপ্তচরদের সঙ্গে মিলে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন।

ফ্লোরিডার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, কিউবার গোয়েন্দা সংস্থার দুজন সদস্য মায়ামির একটি সামাজিক সংগঠনে ছদ্মবেশে ঢুকে পড়েছিল। তারা বিমানের ফ্লাইটসংক্রান্ত গোপন তথ্য কিউবা সরকারের কাছে পাঠাত। এমনকি বিমান দুটি ধ্বংস হওয়ার আগের দিন এক গুপ্তচরকে ফ্লোরিডা থেকে কিউবায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এসব প্রমাণের ভিত্তিতে মায়ামির আদালত কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার পেয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে ১৯৯৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। সেদিন কিউবার যুদ্ধবিমান গুলি চালিয়ে দুটি ছোট বিমান ধ্বংস করে। বিমানে থাকা চারজনই নিহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন ছিলেন মার্কিন নাগরিক। কিউবা দাবি করেছিল, বিমানগুলো তাদের আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থার তদন্তে বলা হয়, বিমানগুলো আন্তর্জাতিক আকাশসীমাতেই ছিল।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। নতুন এই পরোয়ানাকে ৩০ বছর আগের সেই ঘটনার বিচারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রয়াত কিউবান নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই রাউল কাস্ত্রো ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কিউবার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তখন তিনি দেশের সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও পালন করতেন।

 
ইত্তেফাক/এবিএস