বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছিল জিম্বাবুয়ে। এতে ফাইনালে ওঠার পথে তখন কিছুটা এগিয়েই গিয়েছিল তারা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় পেলেই শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিতে পারতো। তবে জয় দূরের কথা, উলটো ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে জিম্বাবুয়ে।
এতে বাংলাদেশের পথ আরও কঠিন হলো। ফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ জিততেই হবে টাইগারদের। এমনকি নেট রান রেট বাড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জও থাকবে তাদের সামনে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর পর ২০ বলে ২৫ রান করে আফগানিস্তানের ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ আউট হন। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরান ও সেদিকুল্লাহ আতালের ১৪৯ বলে ১৪০ রানের জুটি আফগানিস্তানকে বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।
৯৬ বলে ৯০ রান করে ইব্রাহিম আউট হলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন আতাল। তার ১১০ বলে ১০২ রানের ইনিংসে ভর করে ২৯৪ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান।
২৯৫ রানের লক্ষ্য রান তাড়া করতে নেমে ৪৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল।
তাদের জুটিতে একশ পেরোয় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তাদের জন্য এবার বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান রশিদ খান। রায়ান বার্লকে এলবিডব্লু করে রাজার সঙ্গে তার ১১২ বলে ৬৪ রানের জুটি ভেঙে দেন। ৬৩ বলে ৩১ রান করে বার্ল আউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে জন্য দুই শ পার করাটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে যায়।
৪৮ রান করা রাজাকে বোল্ড করে সেটিও প্রায় অসম্ভব করে দেন রশিদ। ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়েকে এখন তাকিয়ে থাকতে হবে আগামী পরশু আফগানিস্তান–বাংলাদেশ ম্যাচের দিকে। ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট পান রশিদ।
