জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভারতীয় মদ ও একটি মোটরসাইকেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ জেলা গোয়েন্দা শাখা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন। রোববার দুপুরের দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দায়ের হওয়া মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭), সিফাত (২০), জয়দেবপুরের রুবেল মিয়া (২৭), জানকীপুর মির্ধাপাড়ার ফুরকান হোসেন (১৯) এবং লাউচাপড়া গ্রামের আমান উল্লাহ উদয় (২৭)।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে আমান উল্লাহ উদয় বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে বকশীগঞ্জ থানার বৈষ্ণবপাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ ও চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। মূলত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি-২-এর একটি টহল দল বকশীগঞ্জের বৈষ্ণবপাড়ায় সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। সেই অভিযানে পাঁচজনকে আটক করা হয়। আটকরা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চোরাইপথে ভারতীয় মদ আমদানি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে আসছিলেন।
বকশীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়দুল ইসলাম শামীম বলেন, ছাত্রদলের ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ উদয় চক্রান্তের শিকার। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতাসহ একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনা সত্য হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিথ্যা হলে ছাত্রদল আমান উল্লাহ উদয়ের পাশে থাকবে।
জামালপুরের পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রোববার সকালে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(বি)(১)(বি)/২৫(ডি) ধারায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
