আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের উদ্যোগে ২০২৬ সালের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যবই উপহার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১২টায় আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন, পড়াশোনায় উৎসাহ প্রদান এবং নতুন প্রজন্মের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০ জন শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই উপহার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, দৈনিক কালবেলার ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান উল্লাহ খান রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খান মো. কামরুজ্জামান, বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক তাহমিনা ফেরদৌসী শুভ্রা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফকরুল ইসলাম। মানচিত্রদেখুন
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা নাসির খান। এ ছাড়া এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের মনিরুল ইসলাম নাসির, মো. রবিউল্লাহ রবি, জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, মো. আলমগীর হোসেন ভান্ডারী, আলউদ্দিন সুমন, মো. সানি ও শাহেদ আলম রাসেলসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ মাহবুব। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্যসচিব হোসাইন এম. আসার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হাসান উল্লাহ খান রানা বলেন, “শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।”
সভাপতির বক্তব্যে হাবিবুল্লাহ মাহবুব বলেন, “আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে আমাদের আবেগ, স্মৃতি ও আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পাঠ্যবই উপহার কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে চাই। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরামবাগ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক্স স্টুডেন্ট ফোরাম বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।”
বক্তারা শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
