গার্মেন্টস সেক্টরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ২০:২০

গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলাকারীরা কেউ সাধারণ শ্রমিক নন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তফিজুর রহমান।

তিনি বলেছেন, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। ভিন্ন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে লক্ষ্যে নাশকতাকারীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
 
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সাভারের বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও যারা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছেন নিশ্চয়ই তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন, তারা সাধারণ শ্রমিক হতে পারে না। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা হলো, যারা এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং তাদের ইন্ধনদাতা কারা, যাবতীয় তথ্য পুলিশ সংগ্রহ করছে। কোনো মতেই তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করতে দেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে যা যা করা দরকার, আইনের মধ্যে থেকে সব কিছুই করা হবে। 

ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, আপনারা (শ্রমিক) কোনো কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দেবেন না। আপনারা কাজে ফিরে আসুন, নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। কেউ যদি আপনাদের বিভ্রান্ত বা চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করে আমাদের জানান, আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

গার্মেন্টস মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে এবং দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখুন, আমরা আপনাদের নিরাপত্তা দেব। 

তিনি আরো বলেন, ঢাকা জেলা পুলিশ, শিল্প পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে যেসব ফুটেজ আছে এবং মিডিয়ায় যেসব ফুটেজ এসেছে তার বাইরে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেছেন, পতিত সরকারের দোসরা সাভার ও আশুলিয়ায় গার্মেন্ট সেক্টরকে অস্থিতিশীল করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে বাইরে থেকে লোকজন এসে এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে। পতিত সরকারের লোকজন আশপাশের দেশের পরামর্শে এই আন্দোলনটা শুরুর চেষ্টা করছে। এদের মধ্যে বেশীরভাগই বহিরাগত। 

 
ইত্তেফাক/আরএইচ