ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মেহেরদিয়া গ্রামে কালাম মুন্সীর সমর্থকদের সঙ্গে নুর ইসলাম মুন্সীর আধিপত্যে নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কালাম মুন্সী তার ফসলী জমিতে বেড়া দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মারধর করে। এরই জেরে নুর ইসলাম মুন্সী ও আনছার মাতুব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে কালাম মুন্সীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
সংঘর্ষ চলকালে ঢাল-সুরকি, ইটপাটকেল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সংঘর্ষকারীরা ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষ চলাকালে কালাম মুন্সী, ভুলু মাতুব্বর, মিজানুর মাতুব্বরসহ ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, মেহেরদিয়া গ্রামে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। গ্রামের কালাম মুন্সীর ফসলী জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
