শিক্ষা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহ্বান মাহদী আমিন

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৯

ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সম্মিলিত সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ: ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের দিকে এআই-এর রূপান্তর’ শীর্ষক এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যায় বিদেশ নির্ভরতা থাকলেও দেশের উজ্জ্বল মেধাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি সমস্যার স্থানীয় সমাধান বের করা পুরোপুরি সম্ভব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক উদ্ভাবনী ভাবনার পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সম্ভাবনাময় উদ্যোগেও প্রাথমিক মূলধনের জোগান দিতে সরকার স্টার্টআপ ফান্ড ও অনুদানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

যানজট নিরসন, কৃষি ও শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধিতে জেলা পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসার যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের যুগে প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণে প্রয়োগ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, এসএসসি ও এইচএসসিতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভাষা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প ক্যারিয়ার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মেধা পাচার (ব্রেন ড্রেইন) প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, সরকার ‘ব্রেন ড্রেইন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করতে কাজ করছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্যোক্তারা যাতে দেশে বিনিয়োগ ও যৌথ গবেষণা চালাতে পারেন, সেই পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এই সময়ে বিপুল যুবশক্তিকে উপযোগী নীতি ও প্রণোদনার মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তায় রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

ইত্তেফাক/এনএ