সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ইব্রাহীম।
অথচ শুরুর একাদশে ছিলেন না ইব্রাহীম। ডিফেন্ডার থেকে স্ট্রাইকার বনে যাওয়া বিশ্বনাথের বদলি হিসেবে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ফর্টিস এফসির এই ফুটবলারকে মাঠে নামান কোচ থমাস ডুলি। এর ৩ মিনিট পরই বাংলাদেশকে লিড এনে দেন ইব্রাহীম। যা বেশ অবাক করেছে বাংলাদেশের কোচকে।
ম্যাচ শেষে ডুলি বলেন, ‘ম্যাচের এক পর্যায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বিশ্বনাথ হাপিয়ে উঠেছিল। বক্সের ওখানে বল ধরে রাখতে পারে এ রকম একজন দরকার ছিল। তাই আমি বিশ্বনাথকে তুলে ইব্রাহিমকে দশ নম্বর পজিশনে এবং সামিতকে একদম ওপরে খেলানোর পরিকল্পনা করি। এতে সামিত গোলের সামনে কিছুটা শক্তি বাঁচিয়ে হেড দিয়ে গোল করার চেষ্টা করবে। আমি ভাবিন যে ইব্রাহিম নিজেই গোল করে বসবে, ভেবেছিলাম সে হয়তো কাউকে দিয়ে গোল করাবে। তবে ভালো ফুটবলাররা এমন মুহূর্ত তৈরি করতে পারে।’
অন্যদিকে, দিক পরীক্ষিত ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। তবুও তাকে খেলতে হচ্ছে স্ট্রাইকার পজিশনে। বিশ্বনাথকে এমন পজিশনে খেলানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘বিশ্বনাথ খেলার ক্ষেত্রে খুবই তীব্র। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে তাকে খেলালে পেনাল্টি কিংবা কার্ডের ঝুকি থেকে যায়। আমি ভেবেছিলাম তার বিকল্প হতে পারে রাইট ব্যাক। সেখানেও তাকে মাঝে মধ্যে বক্সে আসতে হয়। ফরোয়ার্ড নম্বর নাইন পজিশনে আঘাত পাওয়ার ভয় থাকে কিন্তু বিশ্বনাথ ভয় পায় না। আশা করছিলাম সে গোল পায় যেন, দুভার্গ্যবশত পায়নি। তবে তার খেলায় আমি সন্তুষ্ট।’
অধিনায়ক তপু বর্মণের শেষ মুহূর্তে ছিটকে যাওয়া নিয়ে ডুলি বলেন, ‘ওয়ার্ম আপে নামার পর সে অস্বস্তি বোধ করে। তার ফিটনেস ফিফটি ফিফটি ছিল। খেলতে হলে শতভাগ ফিট কিংবা অন্তত ৮০ ভাগ হতে হবে।’
