রোজায় যে ১০ পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বিশেষ সুবিধা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:০৪

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দশ ধরনের প্রধান ভোগ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের (ক্যাশ মার্জিন) হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে এই মার্জিনের হার নির্ধারণ করবে। 

এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন জোগান নিশ্চিত রাখতে এলসি খোলার কার্যক্রমে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। 

রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব তপশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রোজা চলাকালীন বাজারে চাল, গম বা আটা, পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম তেলসহ ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুরের সার্বিক চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এমন পরিস্থিতিতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর করে পণ্যগুলোর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দর সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বজায় রাখতেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। 

এর ফলে সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো আমদানির বিপরীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া হারে নগদ অর্থ আটকে রাখার পরিবর্তে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম মার্জিনে ঋণপত্র খোলার সুবিধা প্রদান করতে হবে, যা ব্যবসায়ীদের প্রারম্ভিক আর্থিক চাপ লাঘবে সহায়তা করবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিশ্চিত করেছে যে, এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের সকল ব্যাংকে এটি বহাল থাকবে।

ইত্তেফাক/এনএ