ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘নারীর চাকরিজীবন-সহজ/কঠিন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মুশফিকা বিনতে কামাল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারিতা মিল্লাত।
বৈঠকে সাংবাদিক ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা বলেন, নারীর চাকরিজীবন শুধু নয়, জীবনই কঠিন। তার জীবন সহজ করার জন্য সমাজ কতটুকু সাপোর্ট করছে সেই বিষয়ে বলছি না তাহলে সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় চলে আসবে। বর্তমানের প্রেক্ষিতে আমরা যৌথ পরিবার থেকে বের হয়ে আসছি। এই সময়ে নারী পুরুষ একে অন্যের রেসপনসিবিলিটি গ্রহণ করা জরুরি। নারী ৩০-শে পৌঁছে গেলে দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। এই দ্বন্দ্ব দূর করার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুগোপযোগি সিন্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকেও, যেমন- ট্রান্সপোর্ট সুবিধা নিশ্চিত করা। যেসব প্রতিষ্ঠান বড় কলেবরে বড় হচ্ছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে নারীর পারিপাশ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তার সুবিধা দিতে হবে।
সাহিত্যিক ও ঢাকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কো-অর্ডিনেটর মুর্শিদা জামান বলেন, দক্ষিণ এশীয় নারীরা অনেক বেশি ইউরিন ইনফেকশনে ভুগে থাকে। তার কারণ বিভিন্ন ট্যাবু, এবং কর্মস্থলগুলোতে আন-হাইজেনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা। এদেশের নারীদের উচ্চতা সাধারণত পুরুষদের চেয়ে কম। কিন্তু কর্মক্ষেত্রগুলো সেই অনুযায়ী কোন চেয়ার বা টেবিলের ব্যবস্থা করা হয় না। ফলে তারা শরীরবৃত্তীয় বিভিন্ন রোগে আক্রন্ত হয়। অন্যদিকে পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান থেকে নারী যখন ক্রমাগত বাধা পেতে থাকে ৪০ বছর পাড় হয়ে যায় শুধু এই বুঝতে যে তার আসলে কোন পেশায় যাওয়া দরকার ছিল। নারীর সিদ্ধান্ত নারীকেই নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে পরিবার।
আরো পড়ুন: বরিস জনসনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনে ব্যাপক বিক্ষোভ
গোলটেবিল বৈঠক শেষে আলোচকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিয়ম করেন ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মকবুল আহমেদ খান।
এই সময় তিনি বলেন, ‘ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য টিউশন ফিয়ের ওপর সর্ব্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়ে থাকে। শুধু ছাত্রী নয় ছাত্রদেরও পূর্ণ ও খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ দিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ সহজ করে দিচ্ছে। আপনারা যারা কলমবাজ আছেন, বিষয়টি আর্থিকভাবে পিছিয়ে পরা বা সুযোগের অভাবে শিক্ষাসুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের জানাবেন।’
এছাড়াও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার এ.এফ.এম গোলাম হোসেন।
ইত্তেফাক/বিএএফ
