প্রগতিশীলতা এবং শেখ হাসিনা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মোস্তফা জব্বার

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:১৭

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রগতিশীলতা এবং শেখ হাসিনা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। দেশ স্বাধীনের পর আমাদের অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন থেকে শুরু করে সব কিছুতে পিছিয়ে ছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বে সেই অবস্থা থেকে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের উদ্যোগে ‘প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করলে, অনেকেই ব্যঙ্গাত্মক কথাবার্তা বলেছিল। কিন্তু তার নেতৃত্বেই দেশ অকল্পনীয় গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধানের চার মূলনীতির মূলমন্ত্র হচ্ছে প্রগতিশীলতা। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে বৈষম্যহীন সমাজ বলতে কেবল অর্থনৈতিক বিষয় বুঝায় না। শিক্ষা থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্রসহ সকল পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। সকল পর্যায়ের বৈষম্য দূর করার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার যে সকল কাজ করছে তা এখন দৃশ্যমান। দেশ হতে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছি, আর প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছি। 

আরও পড়ুন: একটি চলে না অন্যটি চালানোর লোক নেই, এভাবেই দেড় যুগ

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, উন্নয়ন বলতে অনেকেই কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিক বিবেচনা করে। শুধুমাত্র অর্থনৈতিকভাবে ধনী হলেই দেশের উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ডলারের ভিত্তিতে সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক, ইরানের মত বহু উন্নত রাষ্ট্র পৃথিবীতে ছিল। কিন্তু সংস্কৃতি প্রগতিশীল ও বিজ্ঞানমনস্ক না হওয়ায় কালের বিবর্তনে আজ তাদের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কলামিস্ট মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকার উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কলামিস্ট ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সদস্য সচিব-১ অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক ও কলামিস্ট ফোরামের সদস্য-সচিব-২ সৌরভ জাহাঙ্গীর। 

সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী, দৈনিক কালেরকণ্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট আলী হাবিব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এফ. এম. শরিফুল ইসলাম শরিফ বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় প্রগতিশীল কলামিস্ট এবং তরুণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/অনি