ইনস্টিটিউিট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের যৌথ আয়োজনে ‘অ্যান্টি ডাম্পিং অ্যান্ডকাউন্টার ভেইলিং মেজারস: ইমার্জিং এভিনিউ ফর কস্ট অডিটরস’ শিরোনামে দুইদিন ব্যাপী বিশেষায়িত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রুহুল কুদ্দুস অডিটোরিয়ামে এর উদ্বোধন করেন লনফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান সি.কিউ. কে. মুশতাকআহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সি. কিউ. কে. মুশতাক আহমেদ বলেন, আমাদের বাণিজ্যের বর্তমান প্রেক্ষিতে অ্যান্টি ডাম্পিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় ব্যবসা গভীরভাবে জড়িত। দুটি বিষয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে; একটি হলো অ্যান্টিডাম্পিং প্রেক্ষিতে বিদেশি পণ্যের আমদানি, আরেকটি হচ্ছে আমাদের দেশীয় পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে আমাদের অ্যান্টিডাম্পিং বিষয়টি মোকাবেলা। কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পেশাদাররাতাদের কাজের মাধ্যমে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন বলে আমি আশা রাখি।
আরো পড়ুন : আওয়ামী লীগের ১৫০ নেতার কাছে আজ যাচ্ছে শোকজ নোটিশ
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আইসিএমএবির সভাপতি এম আবুল কালাম মজুমদার বলেন, আইসিএমএবি আমাদের কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশার প্রসারে কাজ করে চলেছে। এই কর্মশালাটি এমন একটি বিষয় নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে যা আমাদের জাতীয় অর্থনীতির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টি ডাম্পিংয়ের বিষয়টি নিয়ে এই কর্মশালায় বিশেষায়িতভাবে অভিজ্ঞজনেরা তাদের মতামত এবং পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন, যা এই পেশার মানুষদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতালাভে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে ‘ইনিশিয়েশন প্রসিডিওর অব অ্যান্টি-ডাম্পিং কেস’ শিরোনামে একটি টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ রমা দেওয়ান। সর্বশেষ টেকনিক্যাল পেপার “এক্সপোর্টারস কোয়েশ্চেনিয়র ফিলআপ’পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সদস্য ড. মুস্তাফা আবিদ খান।
ইত্তেফাক/ইউবি
