নাগেশ্বরীতে কাদা মাটিযুক্ত রাস্তার গর্তগুলাতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় বুধবার তারা এ প্রতিবাদ জানায়।
উপজেলার কেদার ইউনিয়নের কচাকাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে ছ্যাঙ ছ্যাঙির মোড় পর্যন্ত জন গুরুত্বপুর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিনেও পাকা হয়নি। ফলে একটু বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়। সেখানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় খানা খন্দের। সেগুলোতে পানি জমে ঢেউ খেলে।
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে অবস্থা আরও করুন। সম্পুর্ণ চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে কচাকাটা বাজারের কয়েক শতাধীক ব্যবসায়ী, বাজারগামী সহস্রাধিক মানুষ, কচাকাকাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কচাকাটা উচ্চ বিদ্যালয় ও কচাকাটা কিন্ডার গার্টেনের প্রায় ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। প্রতিবছর বর্ষা এলেই তাদের এ দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় আবু সিদ্দিক, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান, রাহিমুল, আলী হোসেন, মজনুর রহমানসহ অনেকে জানান, শুধুমাত্র রাস্তার কারণে তাদের এ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। তাই পাকা করার দাবিতে বুধবার দুপুরে কাঁদা মাটিযুক্ত ওই রাস্তার গর্তগুলোতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে মাছ ছেড়ে দিয়ে তারা প্রতিবাদ জানায়।
কেদার ইউনিয়ন চেয়াম্যান মাহবুবুর রমান জানান, ওই রাস্তাটির কিছু অংশ ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে পাকা করা হয়েছে। আরও কিছু অংশ পাকা করণের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিলো: তোফায়েল
উপজেলা প্রকৌশলী বাদশা আলমগীর বলেন, 'সড়কটি সরকারের কোন বিভাগের তালিকায় নেই। ফলে নিয়মিত বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয় না। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় এডিপির বরাদ্দে কিছুটা অংশ পাকা করা হয়েছে। এডিপি এবং এলজিএসপির বরাদ্দে বাকিটা পাকাকরণের জন্য চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।'
ইত্তেফাক/নূহু
