রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ক্যাম্পাসে পদযাত্রা করেছে শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তারা শহীদ মিনার থেকে শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বর পর্যন্ত খালি পায়ে এ পদযাত্রা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন। গত সোমবার থেকে তারা ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালন করে আসছেন। পদযাত্রায় তারা উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়ার পদত্যাগ দাবি করেন।
বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে খালি পায়ে যাত্রা করে শহীদ শামসুজ্জোহার কবর প্রাঙ্গণের সামনে আসেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেখানে তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরবর্তীতে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন।
এতে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মাসুদ মোন্নাফ বলেন, ‘দেশ যখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন শহীদ শামসুজ্জোহার ক্যাম্পাস নানাভাবে রোগাক্রান্ত, ভারাক্রান্ত। উপাচার্য প্রকাশ্যে সিনেট ভবনে সার্বভৌমত্বকে অবমাননা করে ‘জয় হিন্দ’ বলে স্লোগান দেন। এক উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। আমরা চাই ইউজিসি এবং দুদক এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করুক।’
রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, ‘জয় হিন্দ বলার জন্য উপাচার্যকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা উপ-উপাচার্যকে অপসারণ করতে হবে। ইউজিসি যেন এসব দুর্নীতির অনুসন্ধান করে আসল বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরে।’
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় বাস-ট্রাকের ত্রিমুখী সংর্ঘষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪, আহত ৪০
এতে ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেনের সঞ্চালনায় সভাপতি রাশেদ রিমন বক্তব্য দেন। কর্মসূচি থেকে আগামীকাল (আজ) শনিবার সন্ধ্যায় মশাল মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইত্তেফাক/নূহু
