রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আরো তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল রবিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র্যাব-২ উপপরিদর্শক জসীম উদ্দীন ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আরো ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মাদ নোমান মাদক মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়াও ফের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে।
অপর দিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে গতকাল কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় শফিকুল আলম ফিরোজের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ঐদিন সকালে র্যাব বাদী হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে।
এদিকে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীর আবারও রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গুলশান থানায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় তাদের রিমান্ড মঞ্জুর হলো। এ দফায় তাদের তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
এর আগে ১ অক্টোবর মানি লন্ডারিং মামলায় তাদের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল আদালত। ঐ মামলায় রিমান্ড শেষে গতকাল রবিবার তাদের আদালতে হাজির করা হয় এবং অস্ত্র মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১ এর উপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সাত দেহরক্ষী হলেন—দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।
টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে হয়। পরদিন তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: কর্মকর্তা ছাড়াও বহিরাগতরা থাকবে ইসির নজরদারিতে
অন্যদিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম হাবিবুর রহমান চৌধুরী শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ইত্তেফাক/নূহু
