কুম্বলের বিদায়ে কলকাঠি নেড়েছেন কোহলিই!

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২২

ভারতীয় ক্রিকেটে ইমেইল ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। সেই ইমেইল অনুযায়ী, গত বছর প্রধান কোচের পদ থেকে অনিল কুম্বলের সরে যাওয়ার নেপথ্যে ছিলেন ভারত অধিনায়ক।

গত বছরের জুনে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর পদত্যাগ করেছিলেন কুম্বলে। অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করার পরিস্থিতিতে নেই বলে জানিয়েছিলেন পদত্যাগী প্রধান কোচ। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড যদিও কোচ-অধিনায়কের ঝামেলাকে অস্বীকার করে। সেই সময়ের ঘটনাই উঠে এসেছে প্রশাসকদের কমিটি বা সিওএ-র অন্যতম সদস্য ডায়না এডুলজির পাঠানো ইমেইলে। সেই ইমেইল তিনি করেছেন সিওএ প্রধান বিনোদ রাইকে।

হালফিলের মহিলা ক্রিকেটের বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ডায়না লিখেছেন, ‘মহিলা ক্রিকেটরদের কোচ বাছাইয়ের ব্যাপারে মতামত দিয়ে ইমেইলে আমি দোষের কিছু দেখি না। ওরা তো নিজেদের মতামত সোজাসুজি জানাচ্ছে। বিরাট কোহালির মতো তো আর সিইও (রাহুল জোহরি)-র কাছে ঘনঘন এসএমএস করছে না। কোহলির এই এসএমএসের ভিত্তিতেই তো কাজ করা হয়েছিল। বদলানো হয়েছিল কোচ।’

রবি শাস্ত্রীর কোচ হওয়ার প্রতিবাদ তিনি করেছিলেন বলেও লিখেছেন ডায়না। তাঁর কথায়, ‘তখনও আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। আমার সেই প্রতিবাদ নথিভুক্তও রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোচ হতে চেয়ে আবেদন করেননি রবি শাস্ত্রী। তাঁর জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। এটারও প্রতিবাদ করেছিলাম।’

সেই সময় অনিল কুম্বলেকে ‘ভিলেন’ বানানোর প্রয়াস হয়েছিল বলেও লিখেছেন ডায়না। যেভাবে পদত্যাগ করছিলেন, তার জন্য কুম্বলের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রয়েছে এডুলজির।

সবশেষে ডায়না প্রশ্ন করেছেন, ‘তখনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল। আর আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। বিরাট যদি কোচ বাছাইয়ে কলকাঠি নাড়তে পারে, তবে মহিলা দলের কোচ-অধিনায়কের অনুরোধ মেনে কেন কোচ বেছে নেওয়া হবে না?’

প্রসঙ্গত, হরমনপ্রীত কৌর ও স্মৃতি মন্ধানা, ভারতের টি-টোয়েন্টি মহিলা দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক জাতীয় দলের কোচ হিসেবে রমেশ পওয়ারকে চেয়েছেন। কিন্তু, সিনিয়র ক্রিকেটার মিতালি রাজের সঙ্গে ঝামেলার পরিপ্রেক্ষিতে রমেশ পওয়ারের চুক্তির নবায়ন হয়নি। নতুন করে কোচ বেছে নেওয়ার জন্য গড়া হয়েছে কমিটি। 

ইত্তেফাক/কেআই