নিকলীতে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় চার গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

নিকলীর দামপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাংলাবাজার-গোবিন্দপুর-বড়কান্দা সংযোগস্থল নরসুন্দা নদীর ওপর নির্মিত সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় চার গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ কারণে সেতুটি জনগণের কোনো উপকারে আসছে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৭১ লাখ ৭০ হাজার ৭৬৪ টাকা ব্যয়ে নিকলীর নোয়াপাড়া-বাংলাবাজার-গোবিন্দপুর-বড়কান্দা সংযোগস্থল নরসুন্দা নদীর সেতুটি নির্মাণ করে।

বাংলাবাজারের পল্লি চিকিত্সক আহাদ জানান, সেতুটি নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে এটি জনগণের কোনো উপকারে আসছে না। তাছাড়া দামপাড়া ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি, টেংগুরিয়া ও নোয়াপাড়া এলাকায় অনেক কাঁচা রাস্তা থাকায় এমনিতেই এলাকার লোকজন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হয়।

বাংলাবাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, সেতু নির্মাণের সময় আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা ঠিকাদারকে সংযোগ সড়কে মাটি ভরাটের জন্য বারবার বলেছি। কিন্তু ঠিকাদার মাটি ফেলেনি। এখন প্রতিবছর বাজারের ব্যবসায়ীদের টাকায় সেতুর দুই পাড়ে কিছু মাটি ফেলি হাঁটার জন্য।

ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, সংযোগ সড়ক না থাকায় ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা সেতুতে উঠতে গিয়ে অনেক সময় পড়ে হাত-পা ভেঙে যায়।

দামপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম লিটন জানান, পাকা সেতু নির্মাণ হলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এখনো কমেনি। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মিত হলেও অদৃশ্য কারণে তখন সংযোগ সড়ক করা হয়নি। এতে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ হচ্ছে, অন্যদিকে টাকাগুলো গচ্ছা গেছে।

নিকলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, নির্মাণের পর ঠিকাদার সেতুর দুই পাড়ে বালু মাটি দিয়ে ভরাট করার পর বিল দেওয়া হয়। বর্ষার পানির স্রোতে হয়তো সেতুর দুই পাড়ে বালু সরে গেছে। সরেজমিনে দেখে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।