যতদিন প্রয়োজন ততদিন নুসরাতের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে :আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘ফেনীর নুসরাত জাহান রাফির পরিবারকে যতদিন পর্যন্ত নিরাপত্তা দেওয়া প্রয়োজন, ততদিন নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এটাও বলে দেই, তাদের যদি আসামি বা কুচক্রী মহল হুমকি দেয়, তারও কঠোর বিচার করা হবে।’ গতকাল শুক্রবার গুলশানের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রচলিত আইনে বলা হয়েছে, এরকম হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। যদি কোনো ‘মিটিগেটিং সারকামস্ট্যান্সেস’ থাকে, তাহলে যাবজ্জীবনের কথা চিন্তা করা হয়। সেদিক থেকে পুরোনো মামলার রেফারেন্স টেনে এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত এক নারীর শিশুসন্তান থাকায় তার ক্ষেত্রে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়ে উচ্চ আদালত বাকিদের সাজা বহাল রাখতে পারে। তিনি বলেন, ‘এখন বিচারিক আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সব সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। সেজন্য আদালতে বিচার করার পরিবেশ এসেছে এবং সে কারণেই এসব মামলার বিচারগুলো তাড়াতাড়ি হবে বলে মনে করি।’ বাংলাদেশের জনগণ ও জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান সব আইনি প্রয়োজন সম্পন্ন করে মামলাটা দ্রুত নিষ্পত্তি করা হোক। যখন মামলা শুরু করেছেন, তখন কাউকে কোনো সময় না দিয়ে আদালত মামলার বিচার কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। এজন্য দ্রুত সময়ে শেষ হয়েছে মামলাটি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র এখনো দাখিল হয়নি, সেই মামলা কীভাবে বলে তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলবে। তদন্তই তো শেষ হয়নি, তদন্তের ব্যাপারে ইন্টারফেয়ার করতে চাই না। যেসব মামলায় আসামি খুঁজে পাওয়া কঠিন, তদন্ত করতে সময় লাগে।’ তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টে ৯ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেককে তার যোগ্যতা অনুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে, খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করে এখন জেলে গেছে, এর জন্য বিচারকের দোষ। এ দোষ দিয়ে তো হবে না। ওনারা তো এখন পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে বের করতে পারছেন না, তাহলে কি হাইকোর্টের দোষ?’