ফুড পয়জনিং হলে করণীয়

ডা. সঞ্চিতা বর্মন

‘ফুড পয়জনিং’ বা ‘খাদ্যে বিষক্রিয়া’ একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। একে সঠিক সময়ে গুরুত্ব না দিলে মৃত্যুর কারণও হতে পারে। সাধারণত বাসি-পচা, অস্বাস্থ্যকর ও জীবাণুযু্ক্ত খাবার, অপরিষ্কার থালা-বাটিতে খাওয়া, খাওয়ার আগে হাত না ধুয়া ইত্যাদি কারণে জীবাণু বা টক্সিন খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে।

যদি কোনো খাবার খাওয়ার পর বমি, পাতলা পায়খানা, জ্বর, পেটে ব্যথা শুরু হয়, তাহলে বুঝতে হবে ‘ফুড পয়জনিং’ হয়েছে। যদি সময় মতো চিকিত্সা না করা হয় তবে শরীরে পানি শূন্যতা হতে পারে। ফলে কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়াসহ নানা ধরনের অঙ্গ-প্রতঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ‘ফুড পয়জনিং’ হলে সঙ্গে সঙ্গে ওরাল স্যালাইন, পানি, শরবত ইত্যাদি খেতে হবে।

অবস্থা বেশি খারাপ হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকও প্রয়োজন হতে পারে। ‘ফুড পয়জনিং’ রোধে নিজের সচেতনতা বেশি প্রয়োজন। রাস্তার খোলা-বাসি খাবার, শরবত যথা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। শরবতের পরিবর্তে ডাব বা পানি খাওয়া ভালো। যে কোনো খাবার খাওয়ার আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। সঠিক তাপমাত্রায় পরিষ্কার পাত্রে সবসময় খাবার ঢেকে রাখতে হবে।

লেখক: ত্বক, লেজার অ্যান্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ।