বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি জানিয়েছেন তার দেখা স্ট্রাইকারদের মধ্যে ব্রাজিলের রোনাল্ডোই হলেন সেরা। বহু মানুষের কাছে তিনি নিজেই দুনিয়ার সেরা তারকাদের একজন। এহেন মেসি বর্তমান প্রজন্মের দৃষ্টি সীমানার বাইরে থাকা বিশ্বকাপ জয়ী রোনাল্ডোকেই অন্যদের চাইতে এগিয়ে রাখলেন। ফুটবল দুনিয়ায় বর্তমানের সেরাদের অন্যতম মেসি টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাত্কারে ফুটবলের অনেক প্রসঙ্গেই কথা বলেন। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নিজের প্রিয় খেলোয়াড়, ইনজুরি থেকে ফিরে আসা, ভিএআর প্রযুক্তি, তার আক্রমণভাগের সঙ্গী ও ভবিষ্যত্ প্রসঙ্গ।
সেরা স্ট্রাইকার:
রোনাল্ডো (নাজারিও) ছিলেন অসাধারণ। আমি যেসব স্ট্রাইকারকে দেখেছি, তিনিই হলেন সেরা। তিনি ছিলেন অবিশ্বাস্য।
আক্রমণভাগে সতীর্থরা:
রোনালদিনহো আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল। আমি ১৬-১৭ বছর বয়সে সাজঘরে এসে বড়ো বড়ো সব ফুটবল জায়ান্টদের দেখতে পাই যাদের কারণে পরিস্থিতি ছিল কঠিন। কিন্তু তিনি আমার মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং আমাকে সহজ বোধ করতে সাহায্য করেন। পরে মাঠেও আমি তার মুখাপেক্ষী থাকতাম। কিন্তু একত্রে উপভোগ করার জন্য আমরা বেশি বছর পাইনি। তাছাড়া সেসময় আমরা এক সঙ্গে বেশি সময় খেলিওনি। রোনালদিনহোর সঙ্গে আরো বেশি খেলতে পারলে আমার ভালো লাগত।
আমি লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে পাঁচ বছর খেলি। প্রতি তিন দিনে একবার খেলতে নেমে একে অপরের সঙ্গে অভ্যস্ত থাকাটাই স্বাভাবিক এবং আমরা হূদয় দিয়ে খেলতাম। আমাদের একই বয়সি বাচ্চা আছে, প্রতিদিনই আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতাম। তাতে করে সম্পর্কটা অনেক জোরদার হতো।’
ভিএআর:
আমি ভিএআর পছন্দ করি যদি এটা ভালোভাবে ব্যবহূত হয়। আমি যেটা পছন্দ করি না তাহলো এটাকে আনা হয়েছিল সংশয় দূর করতে, কিন্তু এটা এখনো তা করতে পারছে না। এখনো রেফারি, নয়তো বক্সে বসা সহকারী রেফারি সিদ্ধান্তগুলো নেয়। বাস্তবে সত্যি কি ঘটছে সেটার ভিত্তিতে নয়। এটা খুবই ভালো কিছু, কিন্তু এটা ভালোভাবে ব্যবহূত হচ্ছে না।
ভবিষ্যত্:
আমি এখানটা ছেড়ে যেতে চাই না। বার্সেলোনা থেকে চলে যাওয়ার কথা আমি ভাবতেও পারি না। আমার স্বপ্ন আছে আর্জেন্টিনার ফুটবলে নিওওয়েলের হয়ে খেলার। কিন্তু আমি জানি না এটা সম্ভব হবে কিনা। আমার একটা পরিবার আছে এবং নিজের আকাঙ্ক্ষার আগে আসে তারা।