লঞ্চ দুর্ঘটনায় আহত শিশু জাইমা নেওয়াজের চিকিত্সায় ৩ লাখ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এমভি ইয়াদ লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে এই অর্থ দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। এছাড়া ক্ষতিপূরণ বাবদ শিশুটি ও তার পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা কেন প্রদান করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। নৌ-পরিবহন সচিব, ইয়াদ লঞ্চ কর্তৃপক্ষসহ বিবাদীদেরকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
‘পালিয়ে বেড়াচ্ছেন লঞ্চ দুর্ঘটনায় পা হারানো শিশু জাইমার পরিবার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন সম্প্রতি প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাবা-মায়ের সঙ্গে এমভি ইয়াদ লঞ্চে ঢাকা থেকে আমতলী যাচ্ছিল শিশু জাইমা। লঞ্চটি ফতুল্লায় পৌঁছালে ঝাঁকুনি দেয়। তখন জাইমা ছিটকে ঘাট ও লঞ্চের মাঝখানে পড়লে তার ডান পায়ের আঙুলসহ সামনের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা জামাল গাজী ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি লঞ্চমালিকসহ ছয় জনকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর থেকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে লঞ্চমালিক পক্ষ। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও শিশুটির বাবা। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আনিসুল হাসান। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।