বিশেষ প্রতিনিধি
মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, মাদকদ্রব্য পাচার ও বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করি পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদকের পাচার রোধ ও নিয়ন্ত্রণে আরো বেশি সক্ষমতা অর্জন করবে। গতকাল সোমবার সকালে স্থানীয় একটি হোটেলে মাদকদ্রব্য পাচার রোধে বহুমুখী অনুসন্ধান কার্যক্রম বিষয়ে তিন দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত একথা বলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার কর্মকর্তারা এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস, অফিস অব প্রসেকিউটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট, অ্যাসিসট্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং-এর বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা এই কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
রাষ্ট্রদূত মিলার উদ্বোধনী পর্বে বলেন, মাদকদ্রব্য পাচার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য। মাদকের ছোবল থেকে সাধারণ মানুষ এবং আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষার বিকল্প নেই। মাদকদ্রব্য পাচার এবং ব্যবসার সঙ্গে ব্যক্তি ও গোষ্ঠি আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা নানা ধরনের দক্ষ কৌশল এবং নেটওয়ার্ক তৈরি করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে মাদকদ্রব্য পাচারকারী ও ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীকে আরো বেশি দক্ষ ও কার্যকর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। আর বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরো সুরক্ষিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যৌথ সহযোগিতার মধ্যদিয়ে মাদকদ্রব্য পাচারের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় গোষ্ঠিগুলোকে ছিন্নভিন্ন করতে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরো বাড়বে। মাদকদ্রব্য পাচার রোধে আইনের প্রয়োগকে আরো সক্ষম করে তুলতে বাংলাদেশকে পর্যাপ্ত সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।