অভিজিত্ হত্যা মামলা

সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন বাবা অধ্যাপক অজয় রায়

বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবাসী লেখক অভিজিত্ রায় হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. অজয় রায়। সাক্ষ্যে তিনি বলেছেন, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে আমার বড়ো ছেলে অভিজিত্ রায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকায় (টিএসসি) রাজু ভাস্কর্যের একটু সামনে আসামিরা চাপাতি দিয়ে আঘাত করে। ওকে বাঁচানোর জন্য তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা চেষ্টা করে। সেখানে তাকেও আঘাত করা হয়। চাপাতির আঘাতে বন্যার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে পড়ে যায়। গতকাল সোমবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জেসমিন আরার আদালতে তিনি এই সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষ্যে অজয় রায় আরো বলেন, আমরা খবর শুনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যাই। সেখানে যাওয়ার পর অভিজিত্ মারা যায়। তার স্ত্রীকে উন্নত চিকিত্সার জন্য স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর একদিন পরই শাহবাগ থানায় গিয়ে আমি মামলা দায়ের করি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। আগামী ১৮ নভেম্বর এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। সোমবার ছোটো ছেলে অনুজিত রায়কে সঙ্গে নিয়ে অজয় রায় আদালতে যান। পরে তাকে চেয়ারে করে এজলাস কক্ষে নিয়ে যায় পুলিশ সদস্যরা। গতকাল কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে দুর্বৃত্তরা অভিজিত্ রায়কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।