রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নূরুন নাহার আদালতে মামলা দায়ের করে হুমকির শিকার হচ্ছেন। সন্ত্রাসীদের হুমকির কারণে নূরুন নাহার ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। গতকাল দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নূরুন নাহার এই অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী নূরুন নাহার বলেন, পল্লবীর ৫ নম্বর পলাশনগরের স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। তার পলাশনগরে ২০ কাঠা জমি রয়েছে (রেকর্ড মহানগর খতিয়ান নং ১৬৫১, দাগ নং-১৫৬৪২)। কিন্তু ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তার চাচা হারুন আর রশিদ মিলে জাল দলিল তৈরি করে তার ৯ কাঠা জমি দখল করে নিয়েছে। পরে ঐ জমি কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর মধ্যে শাপলা সমিতির কাছে ৮০ লাখ টাকায় পাঁচ কাঠা জমি, আকলিমা বেগমের কাছে ৪০ লাখ টাকায় দুই কাঠা জমি, মুফতি মাওলানা শেখ রেজাউল করিমের কাছে ৪০ লাখ টাকায় দুই কাঠা জমি বিক্রি করে দিয়েছে। এ ঘটনায় নূরুন নাহার কোর্টে একটি মামলা করেন যা কোর্টে তার পক্ষে রায় দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কোর্টের রায় নূরুন নাহারের পক্ষে থাকার পরও ৯ কাঠা জমি না ছেড়ে উলটা বাকি জমি দখল করে নেওয়ার জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে। কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক ও তার চাচা হারুন আর রশিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও থানায় অভিযোগ থাকার পরেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না।
এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম মানিকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।