আগামী বছরের জেএসসি ও জেডিসি থেকে জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে জিপিএ ৪ গ্রেডিংয়ে ফল প্রকাশ করা হবে। তবে চলতি বছর জিপিএ ৫ গ্রেডিংয়ে ফল প্রকাশ করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ নভেম্বর থেকে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হবে। ২৯ হাজার ২৬২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে সারাদেশে মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রী রয়েছে। ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষায় ৩০ হাজার ২৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
বিদেশের মোট ৯টি কেন্দ্রে ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষায় সাতটি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। ইংরেজি ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন হবে।
মন্ত্রী জানান, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা চলাকালীন ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, এ পরীক্ষা নিয়ে আমাদের বিশেষ টিম কাজ করবে। বিশেষ নজরদারি চালু আছে। এখন প্রশ্নফাঁস না হয়ে একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ায়। বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে অভিভাবক বা পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের ফন্দি করে। অভিভাবকরা যেন কোনোভাবেই এসব প্রতারণার ফাঁদে না পড়ে।
নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ এ সময়ের পরে আসে তবে তার কারণ ও যাবতীয় তথ্য লিখে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিতে হবে। সেই তথ্য পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠাতে হবে।