অপরাজিত আর্সেনাল-চেলসি নকআউটে

স্পোর্টস ডেস্ক

চেলসি ও আর্সেনাল অপরাজিত থেকে ইউরোপা লিগের পরের রাউন্ডে উঠলেও বিদায় নিয়েছে এসি মিলান। ইংলিশ ক্লাব দুটি আগের ম্যাচেই গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করেছিল। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে ‘এল’ গ্রুপের খেলায় হাঙ্গেরির ক্লাব ভিডির মাঠ থেকে ২-২ ড্র নিয়ে ফেরে কোচ মাউরিজিও সারির দল। আর্সেনাল নিজেদের মাঠে কারাবাগকে ১-০ গোলে হারিয়ে নক আউটে পা রাখে। 

এসি মিলান অলিম্পিয়াকোসের কাছে শোচনীয়ভাবে হেরে গ্রুপ ‘এফ’ থেকে বিদায় নিয়েছে। এদিকে স্প্যানিশ দল সেভিয়া, ভিয়ারিয়াল এবং রিয়াল বেতিস নিজেদের গ্রুপ থেকে শ্রেষ্ঠত্বের গর্ব নিয়েই পরের পর্ব নিশ্চিত করেছে। 

উইলিয়ানের ৩০তম মিনিটের গোলে চেলসি এগিয়ে গিয়েও হারের শঙ্কায় পড়েছিল। কারণ দুই মিনিট পরেই ডিফেন্ডার ইথান আম্পাদুর আত্মঘাতী গোলে অগ্রগামিতা হারায় চেলসি। ৫৬ মিনিটে ভিডি ফরোয়ার্ড লুইস নেগো লক্ষ্যভেদ করলে হারের শঙ্কাই মাথাচাড়া দেয় চেলসি শিবিরে। ৭৫ মিনিটে ফরাসি স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরুর গোলে সমতা ফিরিয়ে শেষ করে সারির শিষ্যরা। আর্সেনালও অপরাজিত থেকেই পরের পর্বে পা রেখেছে। ‘ই’ গ্রুপের শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত থাকায় এই ম্যাচে তরুণ এক দলকেই মাঠে নামান দলের কোচ উনাই এমেরি। তবে কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়ে অভিজ্ঞদের অভাব বুঝতে দেননি তরুণরা। এমিরেটস স্টেডিয়ামে খেলার ১৬ মিনিটে ফরাসি ফরোয়ার্ড আলেক্সান্দার লাকাজেত গোল করলে কারাবাগের বিপক্ষে জয় পায় তারা।

ইতালীর এসি মিলান গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল। শেষ ম্যাচের আগে গ্রুপ ‘এফ’ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এই ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসের কাছে ৩-১ গোলের হার বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দেয় কোচ জেনারো গাত্তুসোর দলের। গোল ব্যবধানে এসি মিলানের বিদায়ের সুযোগ নিয়েছে স্প্যানিশ দল রিয়াল বেতিস। শেষ ম্যাচে দুদেলাঞ্জের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেও গ্রুপ সেরা হয়ে পরের পর্বে পা রেখেছে কোচ কিকে সেতিয়েনের বেতিস।

প্রতিযোগিতার অন্য স্প্যানিশ দলগুলোও গ্রুপের শ্রেষ্ঠ দল হয়ে নক আউট নিশ্চিত করেছে। গ্রুপ ‘জে’ এর শেষ ম্যাচে এফসি ক্রাসনোদারের বিপক্ষে দশজনের দলে পরিণত হয়েও ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে সেভিয়া। খেলায় জোড়াগোল করেন ফরোয়ার্ড উইসাম বেন ইয়েদের, পেনাল্টি থেকে দলের অন্য গোলটি করেন দলের আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এভার বানেগা।

সেভিয়ার মতো দশজনের দলে পরিণত হয়েছিল ভিয়ারিয়ালও। এরপরেও স্পাটার্ক মস্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ফলে গ্রুপ ‘জি’ এর শ্রেষ্ঠত্ব নিয়েই নক আউটে চলে যায় স্প্যানিশ দলটি।