সরকার আর চায় না যে নির্বাচন হোক

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার আর চায় না যে নির্বাচন হোক। কারণ, তারা জেনে গেছে, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সারা দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সরকারের হাতে। সারা দেশে ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকদের হামলা করে, মামলা করে অরাজক পরিস্থিত তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি কথা দিয়েছিলেন, তফসিল ঘোষণার পর অন্যায়ভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। তিনি কথা রাখেননি। এখন সারা দেশে বিএনপির প্রার্থী ও কর্মীদের মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। আজকেও ড. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতার ওপর হামলা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নির্বাচনী প্রস্তুতি কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বগুড়া সদর আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। তার নির্বাচন কার্যক্রম উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এ সভার মাধ্যমে বগুড়ায় তার দুদিনের নির্বাচনী প্রচারও শুরু করা হয়। বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বগুড়া পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান এ প্রস্তুতি নির্বাচনী কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সভাপতিত্ব করা নিয়ে সভায় হট্টগোল হয়।

এতে মির্জা ফখরুল খুবই বিরক্ত এবং রাগান্বিত হন। তিনি বলেন, আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নেত্রী কারাগারে। নেতা দেশের বাইরে। আমি এখানে ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে আসিনি। নেত্রীর প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। নেত্রী কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় দুঃসহ জীবন যাপন করছেন। তাকে মুক্ত করতে হলে আপনাদের সামনে কোনো পথ খোলা নেই। নিজেদের মধ্যে কোন্দল রাখলে কোনো আসনে জেতার সম্ভাবনা নেই বলেও সতর্ক করেন তিনি।