রাজশাহী ১ : আসন হারাতে চায় না আওয়ামী লীগ, পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি

নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পর রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

 

ভোটাররা বলছেন, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বড় দুই জোটের হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক।

 

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের বর্তমান এমপি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী। এজন্য নিজেদের অবস্থান অপরিবর্তিত রাখতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। এই আসনে ঐক্যফ্রন্টের বিএনপি দলীয় ধানের শীষ প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আমিনুল হক। এখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মান্নান হাতপাখা প্রতীক এবং গণতান্ত্রিক বাম জোটের বাসদ মনোনীত প্রার্থী আলফাজ হোসেন যুবরাজ মই প্রতীক নিয়ে গণসংযোগ করেছেন।

 

তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তানোর-গোদাগাড়ী আসনে উন্নয়নের রূপকার ওমর ফারুক চৌধুরী। এই আসনে আরও উন্নয়নের গতি তরান্বিত করতে জনগণ আবারো নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে হবে।’

আরো পড়ুন : বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে শুভেচ্ছা বিনিময়ে বাণিজ্যমন্ত্রী

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘তানোর-গোদাগাড়ীতে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ব্যারিস্টার আমিনুল হকের হাতেই। জনগণ এখনও ভুলে যায়নি রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এই আসনে বিপুলভোটে বিএনপি জয়লাভ করবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।’

 

এদিকে তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রায় ৪৫ শতাংশ আদিবাসী ভোটার রয়েছেন। পুরুষের চেয়ে বেশি নারী ভোটার। এছাড়া নতুন ভোটার রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। ফলে এ আসনে জয় পরাজয়ের নিরামক হতে পারেন আদিবাসী, নারী ও নতুন ভোটাররা।

 

 

ইত্তেফাক/ইউবি