তবুও স্বস্তিতে শ্রীলঙ্কা

স্পোর্টস রিপোর্টার

ব্ল্যাক ক্যাপ ফাস্ট বোলার টিম সাউদি বেসিন রিজার্ভে প্রথম দিনই নিলেন পাঁচটি উইকেট। তবুও, দিন শেষে খুব একটা অস্বস্তি নেই শ্রীলঙ্কার। নয় উইকেট হারিয়ে তারা করে ফেলেছে ২৭৫ রান। সফরকারী হিসেবে এই স্কোরটাই আর মন্দ কি!

টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেওয়াটা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। যদিও ওয়েলিংটনের উইকেট এতটাই সবুজাভ যে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামস টস জিতে চোখ বুজেই বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। আর অধিনায়কের এই সিদ্ধান্তকে সত্যি প্রমাণ করে গতির ঝড় তুলে মাত্র নয় মানের মধ্যেই শ্রীলঙ্কার তিনটা উইকেট উপড়ে ফেলেন তিনি।

শুরুর কাঁপন দূর করে শ্রীলঙ্কা শিবিরে স্বস্তির হাওয়াটা বইয়ে দিয়েছে চতুর্থ উইকেট জুটিটপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের চরম সেই ব্যর্থতার মধ্যে দাঁড়িয়ে দিমুথ করুনারত্নে ও সাবেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস মিলে চতুর্থ উইকেটে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। আর তাতে ৩ উইকেটে ৯ রান থেকে শ্রীলঙ্কা পরিণত হয় ৩ উইকেটে ১৪২ রানের দলে।

৬৯ রান করা করুনারত্নেকে ফিরিয়ে বিপদের কারণ হয়ে উঠা ওই জুটি ভাঙেন ওয়াগনার। এর একটু পর আবার সাউদির জোড়া আঘাত। তিনি পরপর ফিরিয়ে দেন অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমাল (৬) ও সেঞ্চুরির সুবাস পাওয়া ম্যাথুসকে। আউট হওয়ার আগে ম্যাথুস করেছেন ৮৩ রান। শ্রীলঙ্কা হয়ে পড়ে ৬ উইকেট ১৮৭ রানের দল।

এই অবস্থায় আবার হাল ধরেন নিরোশান ডিকওয়েলা। বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন অনেকটা দূর। ১৬ রান করে দিলরুয়ান পেরেরা তাঁকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দিলেও সেটা দীর্ঘায়িত হয়নি। যদিও ডিকওয়েলার চেষ্টা এখনো থামেনি। দিন শেষে তিনি অপরাজিত আছেন ৭৩ রান নিয়ে। শেষ ব্যাটসম্যান লাহিরু কুামারাকে নিয়ে কাল দ্বিতীয় দিনে ডিকভেলা দলের সংগ্রহে কত রান যোগ করতে পারবেন, বলে দেবে সময়।

দিনে নিউজিল্যান্ড দলের সেরা পারফরফার টিম সাউদি। তিনি ২৫ ওভার বল করে ছয় মেইডেন ও ৬৭ রান দিয়ে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। বাকি চারটি উইকেটও নিয়েছেন পেসাররাই। নিল ওয়াগনার দু’টি ও একটি করে উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম। দলের একমাত্র স্পিনার আজাজ প্যাটেল বোলিংই করতে পেরেছেন মোটে তিন ওভার।