রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগ বিএনপির ও মহাজোটের জাতীয় পার্টিসহ ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের বসাতে না পারায় এখানে মহাজোটের শরিক দলের মূল প্রার্থী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। মহাজোটের শরিক দলের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমান, বিএনপি প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূইয়া পাশাপাশি স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী শিল্পপতি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল লড়ছেন আপেল প্রতীক নিয়ে। তিনি আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট মনোনয়ন প্রার্থী ছিলেন। তাই এখন তিন প্রার্থীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় উত্সবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এতে এই আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা বেশি দেখছেন ভোটাররা।
জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীরাও মহাজোট থেকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি জানিয়েছিলেন দলীয় সভানেত্রীর কাছে। কিন্তু নেতাকর্মীদের দাবি পূরণ না করে জাতীয় পার্টিকে মহাজোট থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় লাঙ্গল প্রতীকে। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে গেছে। তবে আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবেই পূর্বপরিচিত। এতে জাতীয় পার্টিকে এ আসনটি আওয়ামী লীগ ছেড়ে দেয়ায় ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে বিএনপি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল বলেন, এই আসনে আমি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। রায়পুরে আমার বাড়ি। রায়পুরে দশটি ইউনিয়ন রয়েছে। এসব ইউনিয়নের মানুষ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। তাই তাদের কথা চিন্তা করেই আমি নির্বাচনী মাঠে রয়েছি। আমি একজন তরুণ ও কর্মদক্ষ মানুষ হওয়ায় সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমার ভোটের মাঠে কোনো ধরনের প্রভাব ফেলতে পারবেন না।