চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসন

ইউপি সদস্য থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার দৌড়ে নুরুল আমিন

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৯৮ সালে মিরসরাইয়ের ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। সেই থেকে শুরু নুরুল আমিনের। মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন পরবর্তী নির্বাচনে ওসমানপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নেতৃত্ব আর জনপ্রিয়তার মানদণ্ডে অন্যদের চেয়ে কিছুটা আলাদা নুরুল আমিন ২০১৪ সালে মিরসরাই উাপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যদিও দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছিলেন। নাশকতার অভিযোগে ২২টি মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতারও হয়েছেন ৪ বার। তবুও দমে যাননি তিনি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপত্র কেনেন নুরুল আমিন। ডজনখানেক দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে প্রাথমিকভাবে তিনজন মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকায় ছিলেন। এরপর রিটার্নিং কার্যালয় থেকে তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে। তবুও থেমে জাননি নুরুল আমিন। নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর টিকে যায় তার মনোনয়ন। এরপর তিনি বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচিত হন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নুরুল আমিন চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী। ১৯৯৮ সালে ইউপি সদস্য হিসেবে জনপ্রতিনিধির ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল। তিনি এবার সংসদ সদস্য হওয়ার প্রতিযোগিতায়। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সংসদ নির্বাচনে যদি নুরুল আমিন জয়ী হয় তা হলে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় চমক।  এ বিষয়ে বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী বলেন, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বিএনপির গর্ব। তিনি বিভিন্ন হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে সার্বক্ষণিক রাজপথে ছিলেন। দল যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছে।

মিরসরাই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, গণমানুষের ভালোবাসা পেয়ে আমি এতদূর এসেছি।