উলিপুরে সরকারি ওষুধ কালোবাজারে বিক্রির সময় হাতে-নাতে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নারী কর্মীসহ দুইজনকে জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর রবিবার দুপুরে তাদের জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তারা হলেন- পৌরসভার পশ্চিম নাওডাঙ্গা গ্রামের বদরুল আলমের মেয়ে ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার অ্যাসিটেন্ট সুলতানা রাজিয়া একং উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের দড়িকিশোরপুর ভাটিয়াপাড়া গ্রামের রহিম উদ্দিনের ছেলে মতলেব হোসেন।
জানা গেছে, উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার অ্যাসিটেন্ট সুলতানা রাজিয়াকে (৩২) গত শনিবার রাতে বিক্রয় নিষিদ্ধ সরকারি ১৫ হাজার ৯৬০ পিস জন্মনিরোধক ট্যাবলেট ও ২৮টি ইনজেকশন বিক্রির উদ্যেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা উলিপুর পৌর এলাকার পশ্চিম নাওডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছলে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় স্থানীয় মানুষজন তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এক পর্যায়ে তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে স্থানীয়রা উল্লেখিত পরিমাণ ওষুধ আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে ১৫ হাজার ৯৬০ পিস জন্মনিরোধক ট্যাবলেট ও ২৮টি ইনজেকশনসহ রাজিয়া ও মতলেব হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নজিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সরকারি ওষুধ চুরির মামলা দিয়ে আটককৃতদের জেল-হাজাতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি