পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কের নাম ‘মুক্তিযোদ্ধা সরণি’ করার প্রস্তাব করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে আমি আজ ৩০০ ফুট সড়ক মুক্তিযোদ্ধা সরণি করার প্রস্তাব রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে রাখছি। আপনারা (মুক্তিযোদ্ধারা) সম্মতি দিলে আজ এটা পাস হবে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা হাত তুলে সম্মতি দেন।
গতকাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাব করেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বরাবরের মতো এই সংবর্ধনা আয়োজন করে। দুপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এই সংর্বধনা অনুষ্ঠিত হয়।
মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি বীমা কোম্পানিতে চাকরি করতেন। মাস শেষে যে সম্মানি পেতেন তা আমার বাবা মেয়র মোহাম্মদ হানিফের হাতে তুলে দিতেন। বলতেন, হানিফ এই টাকাগুলো এক দুই তিন টাকা করে সারাদেশে আমার নেতাকর্মীদের হাতে পৌঁছে দিও। তারা আমার দল পরিচালনা করবে।
মেয়র বলেন, আগে এই শহরে প্রতি ঘণ্টায় লোডশেডিং হতো। তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ থেকে আজ ১৮ হাজারে উন্নীত হয়েছে। আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
সাঈদ খোকন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হয়েছে। জুরাইন কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের জন্য কবর সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের জন্য কমিউনিটি সেন্টারে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সিটি করপোরেশনের সব সেবা সহজ করে দেওয়া হবে।
মেয়র সাঈদ খোকন নৌকায় ভোট চেয়ে বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিজয়ের দিন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসির প্যালেন মেয়র জামাল মোস্তফা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম। সংবর্ধনায় সেক্টর কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।