আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২২ জন নেতা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এসব আসনে সহিংসতা হতে পারে বলে আশংকা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ কারণে ওই ২২ আসনে বিশেষ সতর্ক ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
জামায়াত ইসলামীর যেসব নেতারা ধানের শীষে মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ঢাকা-১৫ আসনে ডা. শফিকুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে রফিকুল ইসলাম খান, খুলনা-৬ আসনে আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-১১ আসনে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, খুলনা-৫ আসনে মিয়া গোলাম পারোয়ার, কক্সাবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ, পাবনা-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৫ আসনে ইকবাল হোসাইন, যশোর-২ আসনে আবু সাঈদ মো. শাহাদাত হোসাইন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আসনে আবু হানিফ, দিনাজপুর-৬ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ আসনে আজিজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-১ আসনে মাজেদুর রহমান, সাতক্ষীরা-২ আসনে মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ আসনে শামীম সাঈদী, নীলফামারী-২ আসনে মো. মনিরুজ্জামান, ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ আসনে ওয়াদুল শেখ, বাগেরহাট-৪ আসনে আব্দুল আলীম ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনে শামসুল ইসলাম।
ধানের শীষ মনোনয়ন পাওয়া এসব জামায়াত নেতাদের মধ্যে কারো কারো বিরুদ্ধে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী, জঙ্গিবাদে মদদদাতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।