রংপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ছয়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও ৫ জন।
রমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড সার্জারি ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান এমএ হামিদ পলাশ জানান, চলতি শীত মৌসুমে আগুনে দগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে ৫ নারী ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, তীব্র শীতে উষ্ণতা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের গৃহবধূ বেগম নেছা দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবারে মারা গেছেন। চলতি শীত মৌসুমে আগুনে দগ্ধ ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন ১২জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭ জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ২৮ জন বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন: শাস্তি পেলো সেই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা
তিনি আরও জানান, আশঙ্কাজনক ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া জরুরি হলেও দারিদ্র্যতার কারণে সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মহানগরীর পশারীপাড়া এলাকার রোকেয়া বেগম নামে আগুনে দগ্ধ এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়। এর দুই দিন আগে ২৮ ডিসেম্বর রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রোজিনা বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার শিশু সাদিয়া ও আলম মিয়া নামে দুইজনের মারা যায়। তাদের একজন গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ ও আরেক জন একই জেলার সাদুল্ল্যাপুরের বাসিন্দা।
এছাড়াও ২০ ডিসেম্বর রাতে ঠাকুরগাঁও জেলার ফাতেমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ইত্তেফাক/এসি