পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক আজ শুক্রবার কয়রা উপজেলা দক্ষিণ বেদকাশী, উত্তর বেদকাশীর কাশিরহাট খোলা, দাকোপ উপজেলা, সাতক্ষীরার গাবুরা, শ্যামনগরসহ কয়রা উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ও নদীভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা-৬ সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আক্তারুজ্জামান বাবু।
পরে কয়রা উপজেলার কাশির হাট খোলায় এক পথ সভায় উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে জাহিদ ফারুক এমপি বলেন, বাংলাদেশের যেখানে নদী ভাঙ্গন সেখানেই আমরা প্রকল্প গ্রহণ করি। নদী ভাঙন ঠেকাতে এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার নদীখনন ও তীররা কর্মকাণ্ডে মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ মেগা প্রকল্পে আপনাদের কয়রা ও রয়েছে। সেটা সম্ভব হয়েছে আপনাদের স্থানীয় এমপি বাবুর পরিশ্রমে। আমরা আপনাদের দুঃখের কথা তার মুখ থেকে শুনেছি ব্যক্তিগত ভাবে এবং জাতীয় সংসদেও। আপনাদের এলাকার চিন্তা করার দায়িত্ব আজ থেকে আমার। আমি সকল ফাইল গুলো দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছি। এ প্রকল্পের আওতায় কয়রা উপজেলার বিভিন্ন ভাঙ্গন প্রবণ এলাকা টেকনিক্যাল কমিটির সার্ভে রিপোর্টের মাধ্যমে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে । এটি নিঃসন্দেহে অনেক বড় প্রকল্প যেটার মাধ্যমে কয়রা বাসী পাবে টেকসই বেড়িবাঁধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহমুদুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আবু নাসের, নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী জোন-১ আবুল খায়ের, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা, কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী অফিসার কয়রা শিমুল কুমার সাহা, কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম বাহারুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান রাসেলসহ, স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বর, দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/এমআর