অভয়নগর (যশোর) সংবাদদাতা
নওয়াপাড়ায় হঠাত্ করে অস্বাভাবিক হারে কাক মরতে শুরু করেছে। বার্ড ফ্লু আতঙ্কে মুরগির খামারিরা। মরা কাকের মেডিক্যাল টেস্টের দাবি। শহর এলাকায় মৃত্যুর হার বেশি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে টক্সিনজনিত কারণে এই মৃত্যু।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে তুলনামূলকভাবে কাকের মৃত্যু না হলেও নওয়াপাড়া বাজার এলাকায় হঠাত্ করে কাকের মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে। রাতে বিভিন্ন গাছে আশ্রয় নেওয়া এসব কাক সকালে গাছের নিচে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মৃত কাকের সংখ্যা অনেক বেশি। হঠাত্ করে বিপুল সংখ্যায় কাকের মৃত্যুতে স্থানীয় মুরগির খামারিরা বার্ড ফ্লু আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন। প্রতিকারে তারা মরা কাকের মেডিক্যাল টেস্ট করার দাবি করেছেন।
নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন ভোরে পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা স্কুলমাঠ পরিষ্কার করার সময় মরা কাকগুলো নিয়ে যায়। যে কারণে মৃত কাকের সংখ্যা বলা কষ্টকর। তবে প্রতিদিনই কাক মরছে। গুয়াখোলা গ্রামের মুরগির খামারি রেজাউল ইসলাম বলেন, কাকের মৃত্যুতে চিন্তিত তিনি। কারণ বার্ড ফ্লু শুরু হলে তাদের লাখ লাখ টাকার মুরগির মৃত্যু ঘটবে। তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লব জিত্ বলেন, নওয়াপাড়া শহরের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়। আর এসব আবর্জনার মধ্যে স্থানীয় খাবার হোটেলগুলোর পচা মাংস, ক্লিনিকের বর্জ্য ও বিষাক্ত খাবার থাকে। এইসব খাদ্য দূষণে এক পর্যায়ে বিষাক্ত টক্সিনে পরিণত হয়। সেই টক্সিনযুক্ত খাবার খেয়ে কাকের মৃত্যু হচ্ছে।