আবারো ক্ষমতায় এলে প্রতি পরিবারের একজনকে চাকরি দেব :কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণায় বলেছেন, প্রত্যেক পরিবারে একজনকে চাকরি দিবেন। তিনি যা বলেন, তা করেন।  মওদুদ অহমদের ডাকে জনগণ সাড়া দেয় না। উনার বেলা শেষ হয়ে গেছে। ভোটের বাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির ভাঙা হাট আর মিলবে না। যত দিন যাচ্ছে ততই তাদের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ছে।

তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় নোয়াখালী-৫ আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজারে এক নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনা নারীদেরকে সম্মান দিয়েছেন। আগে সন্তান জন্ম হলে নিবন্ধনে বাবার নাম থাকত, এখন নিবন্ধনে মায়ের নাম সংযুক্ত করেছেন। এই কাজটি করে আমাদের নেত্রী নারীদেরকে সম্মানীত করেছেন। নেত্রী ইশতেহার ঘোষণার সময় বলেছেন, যারা কাজ করে তাদের ভুলত্রুটি হয়। যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা খারাপ আচরণ করে থাকে আমি দলের পক্ষ থেকে সকলের নিকট ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।ওবায়দুল কাদের মওদুদ আহমদকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাকে কেউ বাধা দিচ্ছে না, আপনি যেখানে যান সেখানে লোক হয় না। জনগণ আপনাকে পছন্দ করে না।

নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, মওদুদ আহমদকে নিয়ে গণসংযোগে বের হোন, দেখি কোথাও একশ লোক জড়ো করতে পারেন কিনা। আমি বিএনপির নেতা-কর্মীদের বলছি, আপনারা আমার সামনে পোস্টার লাগান, দেখি কে ছিঁড়ে। তিনি আরও বলেন, আমি বিগত বছরগুলোতে সাড়ে চার হাজার বেকার যুবকের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। আগামীতে নির্বাচিত হলে প্রত্যেক এলাকায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। মহাজোটের বিদ্রোহীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুত বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রায় ১৮টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, জামাল উদ্দিন লিটন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন, ফখরুল ইসলাম রাহাত প্রমুখ।