আল জাজিরা
চার হাজার সাতশ কোটি ডলারের রেকর্ড পরিমাণ প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করেছে জাপান সরকার। এ প্রতিরক্ষা তহবিলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্থল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রবর্তনের খরচও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশটির আগামী অর্থবছরের জন্য জাপান সরকার চার হাজার সাতশ কোটি ডলারের এ প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করছে। কারণ দেশটির মিসাইল প্রতিরক্ষাকে সুরক্ষা দিচ্ছে টোকিও। যার খরচ এ বাজেটে অন্তর্ভুক্ত আছে। এছাড়া চীনকে মোকাবিলা করতে জেট বিমানও কেনা হবে।
ঘোষিত এ প্রতিরক্ষা বাজেট ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া অর্থবছরের জন্য ৯১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের জাতীয় বাজেটের অংশ। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মন্ত্রিসভায় এ জাতীয় বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষাখাতে চার হাজার সাতশ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। বাজেটটি সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে দেশটির সংসদে পাস হতে হবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্থল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রবর্তনের খরচও এ বাজেট থেকে হবে। ২০১৯ সালের এ প্রতিরক্ষা বাজেট থেকে সিক্স এফ-৩৫ এ জেট বিমানও কেনা হবে। এছাড়া বাজেটের একটি অংশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে জাপানের প্রথম বিমানের বাহকগুলোতে ব্যয় করা হবে।
উল্লেখ্য, এ বাজেট জাপানের আগামী পাঁচ বছরের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার প্রাথমিক বরাদ্দ। প্রধানমন্ত্রী আবের অধীনে সিরিয়ার সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে মঙ্গলবার এ বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে জাপানের এ প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণার পর পরই এক প্রতিক্রিয়ায় বেইজিং ‘দৃঢ় অসন্তুষ্টি ও বিরোধিতা’ প্রকাশ করেছে। টোকিওকে ‘বিশুদ্ধভাবে প্রতিরক্ষামূলক নীতি মেনে চলার’ আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।