ভারতে কম্পিউটারে নজরদারি চালাবে গোয়েন্দা সংস্থা

ভারত সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের প্রতিটি কম্পিউটারে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা দিয়েছে ১০টি গোয়েন্দা ও তদন্ত এজেন্সিকে। গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কম্পিউটারে সংরক্ষিত বা কম্পিউটার থেকে আদান-প্রদান করা যে কোনো তথ্যের ওপরে নজর রাখতে পারবে ওই ১০টি এজেন্সি। বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী এর কড়া সমালোচনা করেছেন। খবর বিবিসি’র

যে ১০টি এজেন্সিকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা আরএডাব্লিউ (র), ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, সিবিআই, সন্ত্রাসদমন এজেন্সি এনআইএ, নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস, রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স এবং জম্মু-কাশ্মির ও উত্তরপূর্বাঞ্চলের জন্য ডিরেক্টরেট অফ সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স। বলা হচ্ছে- তথ্য প্রযুক্তি আইনের কয়েকটি ধারা অনুযায়ীই এজেন্সিগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের কয়েকটি সূত্র উদ্ধৃত করে এনডিটিভি বলছে, দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতেই এই ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। আগে কেবল আদান-প্রদান হওয়া তথ্যের ওপরেই নজর রাখা যেত, কিন্তু এখন এজেন্সিগুলো কম্পিউটারে তৈরি করা অথবা জমা করে রাখা তথ্যের দিকে নজর দিতে পারবে। প্রয়োজনে বাজেয়াপ্তও করতে পারবে। কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং তৃণমূল কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের দিকে আঙ্গুল তুলে বলছে এই নিয়ম জারি করে দেশের সব মানুষের ওপরই নজর রাখতে চাইছে সরকার। উল্লেখ্য, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৯ সদস্যের একটি বেঞ্চ ইতোমধ্যে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে।