শেবাচিম হাসপাতালের জমিতে অবৈধ স্থাপনা!

বরিশাল অফিস

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিত্সা মহাবিদ্যালয়  (শেবাচিম) হাসপাতালের জমিতে স্থাপনা করে রমরমা বাণিজ্য করছে একটি চক্র। হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় প্রবেশমুখে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুত্ সংযোগও নেওয়া হয়েছে।

খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন দোকান করেছেন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা। আবাসিক এলাকার পুকুরের মধ্যেও ঘর তোলা হয়েছে। সড়কের ওপর দোকানপাট তোলায় আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখেই এক প্রকার আটকে গেছে। হোটেলের বর্জ্যে সেখানকার পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।  স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে এ ঘরগুলোতে। প্রতিটি ঘর থেকে দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে দখলদাররা। ক্রমেই সেখানে নতুন নতুন দোকানের সংখ্যা বাড়ছে। বিগত তিন-চার বছরে সেখানে কোনো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় বাড়ছে ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ও আয় বাড়ছে দখলদারীদের। এদিকে, দখলদাররা দাবি করেছেন, তারা হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন ও স্থানীয়দের ম্যানেজ করে ঘর তুলে ব্যবসা করছেন। শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন হাসপাতালের জমিতে অবৈধ স্থাপনার কথা স্বীকার করে বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আবাসিক এলাকায় প্রবেশমুখে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে জেলা প্রশাসনে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা পেলেই এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করবেন।