ভোমরা স্থলবন্দর

করোনা সনাক্তে ইমিগ্রেশনে কাজ করছে মেডিক্যাল টিম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস শনাক্তে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টা থেকে ভোমরা ইমিগ্রেশনে বসানো হয়েছে  মেডিক্যাল টিম। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার মতো কোনো উপসর্গ  দেখা দিলেই সিভিল সার্জনকে অবহিত করার জন্য তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. আব্দুস শহীদ জানান, উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার স্বপ্না রানী মণ্ডল ও ন্যাশনাল সার্ভিসের যুব উন্নয়নের হাসানুজ্জামানকে ভোমরা বন্দরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসানো হয়েছে। সকাল ও বিকাল সেখানে ভারত থেকে আসা যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখবেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়েত বলেন, গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে করোনা ভাইরাসসংক্রান্ত সতর্কতামূলক একটি পত্র পাওয়া গেছে। তারপরই মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করছেন। তিনি বলেন, জ্বর ভাব, চোখ লাল, ব্যথা এসব উপসর্গ দেখা দেওয়া যাত্রীদের বিষয়ে নাম পরিচয় লিপিবদ্ধ করে সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করতে বলা হয়েছে। সে সকল রোগীকে সদর হাসপাতালের নির্দিষ্ট স্থানে রেখে সেবা দেওয়া হবে।

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা জানান, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীদের করোনা ভাইরাস শনাক্তে পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। সোমবার থেকে দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের প্রবেশদ্বারে উভয় দেশের যাত্রীদের শরীরে এ ধরনের কোনো জীবাণু আছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল শুভ জানান, সোমবার থেকে ডা. তানভীর ও ডা. শাকিলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে যাত্রীদের শরীর চেকআপে কাজ করবে।

বুড়িমারী ইমিগ্রেশনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেই!

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) সংবাদদাতা: ভারত ও নেপালে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। ফলে বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু এখানে কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঐ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে প্রতিদিন ভারত, নেপাল ও ভূটান থেকে শত শত পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল করেন। দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশনে সতর্কাবস্থা জারি করা হলেও বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে কোনো প্রকার স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ভয় ও আতঙ্ক।

পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ডা. নুর আরেফিন প্রধান কল্লোল বলেন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস সতর্কতা সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। বুড়িমারী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদ জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস  থেকে মুক্ত থাকতে বা সচেতনতায় কি করতে হবে তা জানানো হয়নি।