বন্দরে ইটভাটার মালিকদের মারধরে আহত যুবক বুলবুল আহম্মেদের (৩৩) মৃত্যু হয়েছে। হামলার ঘটনার ১০ দিন পর গত শনিবার সকালে নিজ বাড়িতে মারা যান বুলবুল। মারধরের ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জানুয়ারি দক্ষিণ কুলচরিত্র এলাকায়। নিহত বুলবুল পদুঘর খাডাইয়া গ্রামের মোজাম্মেল হক সরদারের ছেলে। আহত বুলবুলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ইটভাটার মালিক পক্ষ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ঘটনা ধামাচাপা দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের মা মাজেদা বেগম জানান, ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিতে বাধা দেওয়ায় বুলবুলকে ভেকুর ব্যাটারি চোর আখ্যা দিয়ে বাড়ি থেকে ধরে এনে নির্যাতন চালিয়েছিল স্থানীয় দুটি ইটভাটার মালিক ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আদালত শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে বুলবুলকে জামিন দেয়। বাড়িতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, ১০-১২ দিন পূর্বে চাঁদাবাজি ও চুরির অপরাধে বুলবুল নামের এক জনকে মারধর করেছিল ইটভাটার মালিক ও এলাকাবাসী। পরে অভিযুক্ত বুলবুলকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। সে মারা গেছে কিনা আমার জানা নেই। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।