‘ডিএলএমএস’ অনলাইন সফটওয়ারটি খুলে দিন

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত একটি প্রকল্পে দেশের ৭টি জেলার ৪৫টি উপজেলার ভূমি ব্যবস্থাপনার যাবতীয় তথ্য যেমন প্রায় ১৯ হাজার মৌজার ম্যাপ শিট, প্রায় ৬৫ লাখ খতিয়ানের (সিএস, এসএ, আরএস) স্ক্যান কপি ‘ডিএলএমএস’ (ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) অনলাইন সফটওয়ারে অত্যন্ত সুবিন্যস্তভাবে রাখা হয়েছিল। যা ব্যবহার করে বিশাল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হচ্ছিল। অথচ ৭/৮ মাস ধরে সাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না! এই ‘ডিএলএমএস’ সফটওয়ারটির কারণে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, মৌজা এবং খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করার পর দাগ/খতিয়ান/মালিকের নাম লেখার পর জমির যাবতীয় তথ্য চলে আসত। যা প্রিন্ট করে রাখা যেত বা খতিয়ানের স্ক্যান কপিও সংগ্রহ করা যেত সঙ্গে সঙ্গেই। অর্থাত্ ব্যবহারকারী স্বাধীনভাবে সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারতেন। অথচ এমন একটি সাইট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। যদিও ভূমি ব্যবস্থাপনার নতুন সাইট এসেছে, এতে অনেক জেলার ভূমির তথ্য নেই (যেমন শেরপুর জেলা)।

এক সময় ভূমি অফিসে যাওয়ার কথা ভাবলেই যাদের কপালে ভাঁজ পড়ত বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলে, তাদের একটু স্বস্তি এনে দিয়েছিল এটি। আর ভূমি সংশ্লিষ্টদের কাছে না যাওয়াতে তাদের দৌরাত্ম্যও দেখতে হয়নি। অর্থাত্ সামান্য কম্পিউটার জানাশোনা বা স্মার্টফোন ব্যবহার করাদের জন্য ডিএলএমএস অনলাইন সফটওয়ার ছিল আশীর্বাদস্বরূপ। আর বোঝা যেত প্রযুক্তির সুবিধা বা ’ডিজিটাল বাংলাদেশ’ আসলে কী! তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ অনুরোধ এই যে, অনলাইন সফটওয়ারটি খুলে দিন এবং দেশের ভূমি এ ধরনের সফটওয়ারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করুন।

মো. আমিনুল হক

চক পাঠাকাটা, নকলা, শেরপুর