ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে দায়েরকৃত রিট আবেদন পর্যবেক্ষণ দিয়ে সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, আর মাত্র চার দিন পরেই সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এ মুহূর্তে আদালতে দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ নেই। নির্বাচনের পরেও প্রতিদ্বন্দ্বী যে কোনো প্রার্থী আগ্রহী হলে বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে আসার সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় আমরা রুল জারি করতে অনিচ্ছুক মর্মে আবেদনটি সরাসরি খারিজ করা হলো। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোটের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন।
নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে তাবিথের মেয়র প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। রিটে বলা হয়, সিঙ্গাপুরে তাবিথ আউয়ালের যে কোম্পানি রয়েছে, সে কোম্পানির তিনি একজন পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার। কিন্তু নির্বাচনি হলফনামায় তিনি এই তথ্য তুলে না ধরে গোপন করেছেন। সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী তথ্য গোপনের অভিযোগে তিনি আর প্রার্থী থাকতে পারেন না। আবেদনের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী এবং তাবিথের পক্ষে ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী শুনানি করেন। শুনানিতে রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, তাবিথের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট আবেদনকারীর রিট আবেদন করার কোনো আইনগত এক্তিয়ার নেই। রিটকারী এই নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নন। সুতরাং এটি খারিজযোগ্য।
জবাবে কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, রিটকারী লিগ্যাল ফিল্ডে কাজ করেন। তিনি এই দেশের নাগরিক। সুতরাং কোথাও আইনের লঙ্ঘন হওয়া দেখলে তিনি আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন।